• শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৪৭ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের বিমান ঘাঁটিতে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানাল আইএসপিআর

আবিদুর রহমান সুমন / ৯৩ Time View
Update : সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

উজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, উক্ত ঘাঁটির নাম ‘বিমানবাহিনী ঘাঁটি শেখ হাসিনা’। আইএসপিআর স্পষ্ট করেছে যে, ০২ ডিসেম্বর ২০২১ সালের সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘাঁটির নাম পরিবর্তন করে ‘বিমানবাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজাবাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ঘাঁটি কক্সবাজারে দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘটনা সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কক্সবাজার সংলগ্ন সমিতিপাড়ার কিছু স্থানীয় দুর্বৃত্ত ওই দিন বিমানবাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

ঘটনার সূত্রপাত হয় বিয়াম স্কুলের পাশে বিমানবাহিনীর চেকপোস্টে, যেখানে এক ব্যক্তির মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘাঁটির ভেতরে নেওয়া হয়। এর পরপরই আনুমানিক দুই শতাধিক স্থানীয় লোকজন ঘাঁটির দিকে অগ্রসর হয়, যাদের বিমানবাহিনীর সদস্যরা বাধা দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সংঘর্ষ শুরু হয়, এবং দুর্বৃত্তরা বিমানবাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে কয়েকজন আহত হন, যার মধ্যে একজন কর্মকর্তা ও তিনজন বিমানসেনা রয়েছেন।

এ ঘটনায় শিহাব কবির নাহিদ নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। বিমানবাহিনীর একটি গাড়িতে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আইএসপিআর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিমানবাহিনী ফাঁকা গুলি ছোড়ে, তবে কোনো প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করা হয়নি। স্থানীয় দুর্বৃত্তদের ছোড়া ইট-পাটকেলের আঘাতে বিমানবাহিনীর একটি গাড়ির কাচ ভেঙে যায় এবং কিছু দুর্বৃত্ত ঝোপঝাড়ে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেছিল, যা পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, বিমানবাহিনীর গুলিতে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে প্রচারিত গুলির খোসার ছবির ভিত্তিতে আইএসপিআর নিশ্চিত করেছে যে, সেটি ছিল ফাঁকা গুলি, যা শুধুমাত্র শব্দ তৈরি করে এবং প্রাণঘাতী নয়। নিহত যুবকের ঘটনায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনী গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং তার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছে।

এছাড়া, কিছু অনলাইন নির’ রাখা হয় এবং বর্তমানে সেটিই কার্যকর রয়েছে।

শেষে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী পুনরায় আশ্বস্ত করেছে যে, দেশের আকাশসীমা রক্ষার পাশাপাশি তারা সর্বদা জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণে কাজ করে যাবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category